আয়াত-হাদিস সংযোগ
কুরআন ও সুন্নাহ একসাথে — প্রতিটি আয়াতের ব্যাখ্যায় সহিহ হাদিস।
এখানে উপস্থাপিত হাদিসের বাংলা সারসংক্ষেপ শুধুমাত্র বোঝার সুবিধার জন্য। সম্পূর্ণ হাদিস ও ফিকহি মাসআলার জন্য যোগ্য আলেমের পরামর্শ নিন। হাদিস নম্বর দিয়ে মূল গ্রন্থে যাচাই করুন।
বিষয়ভিত্তিক সংকলন
গুরুত্বপূর্ণ আয়াত-হাদিস জুটি
হাদিস নং ৫২৭
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যে ব্যক্তি আসরের নামাজ ছেড়ে দেয় তার আমল নষ্ট হয়ে যায়। (এটি মধ্যবর্তী নামাজ রক্ষার গুরুত্ব বোঝায়।)
বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু
আয়াতে 'মধ্যবর্তী নামাজ' রক্ষার বিশেষ নির্দেশের ব্যাখ্যা
হাদিস নং ৫২১
নবীজি ﷺ বলেছেন: মুনাফিকদের কাছে সবচেয়ে ভারী নামাজ হলো এশা ও ফজরের নামাজ। যদি তারা জানত এতে কত সওয়াব, হামাগুড়ি দিয়ে হলেও আসত।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
নামাজ সংরক্ষণের গুরুত্ব ও মুনাফিকির আলামত
হাদিস নং ৪০৫
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরের জুমা, এক রমযান থেকে পরের রমযান — মাঝখানের গুনাহগুলো মোছে দেয়, যদি কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকা হয়।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
নামাজের পবিত্রকারী ভূমিকা — আয়াতের বক্তব্যের হাদিসী প্রমাণ
হাদিস নং ৬৬৫
নবীজি ﷺ বলেছেন: বলো তো, কারো ঘরের সামনে নদী থাকলে এবং সে দিনে পাঁচবার সেখানে গোসল করলে তার শরীরে কোনো ময়লা থাকতে পারে? সাহাবারা বললেন না। তিনি বললেন: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এভাবেই গুনাহ মুছে দেয়।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
নামাজের পরিশোধকারী ভূমিকার সুন্দর উপমা
হাদিস নং ১৮৯৪
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় রমযানের রোজা রাখে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হয়।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
এই আয়াতে রোজার নির্দেশের পুরস্কার বর্ণনা
হাদিস নং ১৯০৪
নবীজি ﷺ বলেছেন: রোজা ঢাল। তোমাদের কেউ রোজা রাখলে অশ্লীল কথা বলবে না, চিৎকার করবে না। কেউ গালি দিলে বলবে — আমি রোজাদার।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
আয়াতের তাকওয়ার উদ্দেশ্যের ব্যাখ্যা
হাদিস নং ১৮৯৮
নবীজি ﷺ বলেছেন: আল্লাহ বলেন — রোজা আমার জন্য এবং আমিই এর পুরস্কার দেব। রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিশকের চেয়েও সুগন্ধময়।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
হাদিসে কুদসী — রোজার অতুলনীয় মর্যাদা
হাদিস নং ১৯০২
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: রমযান এলে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করা হয় এবং শয়তানকে শিকলে বাঁধা হয়।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
রমযানের বিশেষ মর্যাদার হাদিসী বর্ণনা
হাদিস নং ৪৯৯৭
জিবরাইল আ. প্রতি রমযানে নবীজি ﷺ-এর সাথে কুরআন দাওর করতেন। মৃত্যুর বছর দুবার দাওর হয়েছিল।
বর্ণনাকারী: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু
রমযানে কুরআন তেলাওয়াতের সুন্নাহ
হাদিস নং ১৩৯৫
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যে ব্যক্তি সোনা বা রূপার যাকাত আদায় না করে, কিয়ামতের দিন সেই সোনা-রূপা তার জন্য আগুনের পাত বানানো হবে এবং তার পাঁজরে, কপালে ও পিঠে দাগ দেওয়া হবে।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
যাকাত না দেওয়ার পরিণতি
হাদিস নং ৯৮৭
নবীজি ﷺ বলেছেন: সদকা সম্পদ কমায় না। ক্ষমা করলে আল্লাহ মর্যাদা বাড়ান। যে আল্লাহর জন্য বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করেন।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
সদকার বরকত — সম্পদ কমে না বরং বাড়ে
হাদিস নং ১৪১০
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: প্রতিদিন সকালে দুজন ফেরেশতা নামেন। একজন বলেন — হে আল্লাহ, ব্যয়কারীকে বদলা দাও। অপরজন বলেন — হে আল্লাহ, আটকে রাখা ব্যক্তির সম্পদ নষ্ট করে দাও।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
দান করলে পরিবর্তে পাওয়ার প্রতিশ্রুতি
হাদিস নং ১৫২১
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য হজ্জ করে এবং অশ্লীলতা ও পাপ থেকে বিরত থাকে, সে ফিরে আসে মায়ের গর্ভ থেকে জন্মের দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
হজ্জের পুরস্কার — সব গুনাহ মাফ
হাদিস নং ১৭৭৩
নবীজি ﷺ বলেছেন: উমরার পর উমরা — মাঝখানের গুনাহের কাফফারা। মাবরুর হজ্জের পুরস্কার জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
হজ্জ ও উমরার একত্রিত ফযিলত
হাদিস নং ৬০৯৪
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: সততা নেকীর দিকে নিয়ে যায়, নেকী জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। মানুষ সৎ থাকতে থাকলে আল্লাহর কাছে সিদ্দীক হিসেবে লেখা হয়। আর মিথ্যা পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ জাহান্নামের দিকে। মিথ্যা বলতে বলতে আল্লাহর কাছে মহামিথ্যাবাদী হিসেবে লেখা হয়।
বর্ণনাকারী: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু
সত্যবাদিতার পরিণতি ও মিথ্যার পরিণতি — একসাথে
হাদিস নং ৫৯৭১
আমি নবীজি ﷺ-কে জিজ্ঞেস করলাম: আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কোনটি? তিনি বললেন: সময়মতো নামাজ পড়া। জিজ্ঞেস করলাম: তারপর কোনটি? বললেন: মাতা-পিতার সাথে সদাচার। জিজ্ঞেস করলাম: তারপর কোনটি? বললেন: আল্লাহর পথে জিহাদ।
বর্ণনাকারী: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু
মাতা-পিতার সেবা শ্রেষ্ঠ আমলের তালিকায় দ্বিতীয়
হাদিস নং ২৫৫১
নবীজি ﷺ বলেছেন: তার নাক ধুলায় মিশুক, তার নাক ধুলায় মিশুক, তার নাক ধুলায় মিশুক। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন: কার, হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন: যে তার মাতা-পিতার একজন বা উভয়কে বৃদ্ধ বয়সে পেয়েও জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
বৃদ্ধ মাতা-পিতার সেবা না করার কঠোর পরিণতি
হাদিস নং ৫০৬৫
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: হে যুবকরা! তোমাদের যে সামর্থ্য রাখে সে বিবাহ করুক। এটি দৃষ্টি নত রাখে এবং লজ্জাস্থান রক্ষা করে। যে সামর্থ্য রাখে না, সে রোজা রাখুক — এটি ঢাল।
বর্ণনাকারী: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু
বিবাহের উৎসাহ ও তার উপকার
হাদিস নং ১৪৬৯
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: মুমিন পুরুষ মুমিনা নারীর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে না। যদি তার কোনো একটি স্বভাব অপছন্দ হয়, অন্য একটি পছন্দ হবে।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
দাম্পত্য জীবনে সহনশীলতার নির্দেশ
হাদিস নং ২৫৮৯
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: তোমরা কি জানো গিবত কী? সাহাবারা বললেন: আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভালো জানেন। তিনি বললেন: তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা যা সে অপছন্দ করে। জিজ্ঞেস হল: যদি সত্যিই সেটি থাকে? তিনি বললেন: তাহলেই গিবত। না থাকলে তুমি মিথ্যা বললে।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
গিবতের সংজ্ঞা — সত্য হলেও গিবত
হাদিস নং ৬০৫২
নবীজি ﷺ বলেছেন: যে ব্যক্তি মুসলিমের দোষ গোপন রাখে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন রাখবেন।
বর্ণনাকারী: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু
দোষ ঢেকে রাখার পুরস্কার
হাদিস নং ২৪৪২
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: মুসলিম মুসলিমের ভাই। সে তার উপর অত্যাচার করে না, তাকে লাঞ্ছিত করে না। কারো অন্তরে তাকওয়া এখানে — তিনি তিনবার বুকের দিকে ইশারা করলেন। একজন মুসলিমকে তুচ্ছ করা যথেষ্ট পাপ।
বর্ণনাকারী: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু
ইসলামী ভ্রাতৃত্বের ব্যাখ্যা ও সীমা
হাদিস নং ২৫৬৪
নবীজি ﷺ বলেছেন: মুমিন একে অপরের সাথে ভালোবাসা, দয়া ও সহানুভূতিতে একটি শরীরের মতো। শরীরের এক অংশ ব্যথা পেলে পুরো শরীর জ্বর ও অনিদ্রায় সাড়া দেয়।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
উম্মাহর একতার অনুপম উপমা
হাদিস নং ২৩১৭
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: শোনা সব কথা বলা পাপের জন্য যথেষ্ট।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
যাচাই না করে শুনলেই শেয়ার করা কবিরা গুনাহ হতে পারে
হাদিস নং ২২৪
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: জ্ঞান অর্জন করা প্রতিটি মুসলিমের উপর ফরয।
বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু
কুরআনের প্রথম নির্দেশ ইকরার হাদিসী ব্যাখ্যা
হাদিস নং ৭৯
নবীজি ﷺ বলেছেন: আল্লাহ আমাকে যে হিদায়েত ও জ্ঞান দিয়ে পাঠিয়েছেন তা সেই বৃষ্টির মতো যা মাটিতে পড়ে। উর্বর মাটি পানি শুষে নিয়ে প্রচুর ঘাস ও গাছ জন্মায়। মরুভূমিও পানি ধরে রাখে। আবার কিছু মাটি আছে পাথুরে — কিছু ধরে রাখে না।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু মূসা আশআরী রাযিয়াল্লাহু আনহু
জ্ঞান প্রচারের অনুপম উপমা
হাদিস নং ২৭৫৮
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: আল্লাহ বলেন — হে আদম সন্তান, তুমি যতক্ষণ আমাকে ডাকবে এবং আমার কাছে আশা রাখবে, আমি তোমাকে ক্ষমা করব। তোমার গুনাহ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছালেও যদি ক্ষমা চাও, আমি ক্ষমা করব। পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আসলেও যদি শিরক না করে থাকো, আমি পৃথিবী পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে আসব।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
হাদিসে কুদসী — আয়াতের 'হতাশ হয়ো না'-র বিস্তারিত রূপ
হাদিস নং ৫৬৪১
আমি জিজ্ঞেস করলাম: হে আল্লাহর রাসূল, সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা কাদের? তিনি বললেন: নবীদের, তারপর তাদের যারা তাদের কাছাকাছি। মানুষ তার দ্বীনের শক্তি অনুযায়ী পরীক্ষায় পড়ে। দ্বীন মজবুত হলে পরীক্ষা কঠিন হয়।
বর্ণনাকারী: হযরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাযিয়াল্লাহু আনহু
কেন নেক মানুষরা বেশি পরীক্ষায় পড়েন — এর উত্তর
হাদিস নং ১৪৪২
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: সদকা করলে সম্পদ কমে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল বান্দার মর্যাদাই বাড়ান। বিনয়ী হলে আল্লাহ উঁচু করেন।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
আয়াতের বহুগুণ পুরস্কারের হাদিসী নিশ্চয়তা
হাদিস নং ৭১৯৭
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: ন্যায়বিচারকারীরা কিয়ামতের দিন আল্লাহর পাশে নূরের মিম্বারে থাকবেন — তারা যারা বিচারে, পরিবারে এবং নিজেদের দায়িত্বে ন্যায্য ছিল।
বর্ণনাকারী: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু
ন্যায়বিচারকারীর অসাধারণ পুরস্কার
হাদিস নং ৫০১৩
এক সাহাবী রাতে বারবার সূরা ইখলাস পড়তেন। সকালে নবীজি ﷺ-কে জানানো হলে তিনি বললেন: সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, এই সূরা কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু সাইদ আল-খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু
সূরা ইখলাসের অতুলনীয় মর্যাদা
হাদিস নং ৩০৫৯
আনসারদের মধ্যে কেউ কেউ চাইতেন তাদের ইহুদি ও খ্রিষ্টান সন্তানরা ইসলাম গ্রহণ করুক। তারা নবীজি ﷺ-কে জিজ্ঞেস করলে এই আয়াত নাযিল হয় এবং জবরদস্তি নিষিদ্ধ করা হয়।
বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু
আয়াত নাযিলের কারণ ও প্রয়োগ
হাদিস নং ১৫৯৮
রাসূলুল্লাহ ﷺ সুদগ্রহীতা, সুদদাতা, সুদের লেখক এবং দুই সাক্ষী সকলকে অভিশাপ দিয়েছেন এবং বলেছেন তারা সবাই সমান।
বর্ণনাকারী: হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু
সুদ লেনদেনে সংশ্লিষ্ট সকলেই সমান দোষী
হাদিস নং ৫০২৭
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে যে কুরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।
বর্ণনাকারী: হযরত উসমান ইবনে আফফান রাযিয়াল্লাহু আনহু
কুরআন শিক্ষার সর্বোচ্চ মর্যাদা
হাদিস নং ৬৮৭১
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে সবার আগে রক্তপাতের বিষয়ে বিচার হবে।
বর্ণনাকারী: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু
মানবজীবনের পবিত্রতা — সবার আগে বিচার
হাদিস নং ৭৫৮
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: ফরয নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হলো রাতের নামাজ।
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
তাহাজ্জুদের মর্যাদা — ফরয নামাজের পরেই
হাদিস নং ১১৪৫
নবীজি ﷺ বলেছেন: আল্লাহ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে বলেন: কে আছো আমাকে ডাকবে, আমি সাড়া দেব? কে আছো চাইবে, আমি দেব? কে আছো ক্ষমা চাইবে, আমি মাফ করব?
বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহু
রাতের শেষ ভাগে দোয়া কবুলের বিশেষ সময়
হাদিস নং ৪৬০৬
একজন ইহুদি উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন: তোমাদের কিতাবে এমন একটি আয়াত আছে যা আমরা পেলে সেই দিনকে ঈদ বানিয়ে নিতাম। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আমি জানি কোন আয়াত — এটি দুই ঈদের দিনে নাযিল হয়েছিল।
বর্ণনাকারী: হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু
এই আয়াতের নাযিলের দিনের ঘটনা ও মর্যাদা
হাদিস নং ২১৪৯
হঠাৎ দৃষ্টি পড়লে কী করব — জিজ্ঞেস করলে নবীজি ﷺ বললেন: সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টি ফিরিয়ে নাও।
বর্ণনাকারী: হযরত জারির ইবনে আবদুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু
হঠাৎ দৃষ্টি পড়লে করণীয়
হাদিস নং ৬৭৩২
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: উত্তরাধিকারের সম্পদ নির্ধারিত ওয়ারিশদের দিয়ে দাও। বাকি অংশ নিকটতম পুরুষ আত্মীয়ের।
বর্ণনাকারী: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু
মিরাস বণ্টনের মূলনীতি